Hot!

লটারির বিজয়ী নির্ধারণে ডিএনএ টেস্ট

চাইলেই যে কেউ লটারি জিততে পারেন না। যিনি জেতেন তাঁর আবার আনন্দের সীমা থাকে না। কিন্তু পুরস্কারের দাবিদার যদি দুজন হন, তাহলে সেই আনন্দ আর অর্থপ্রাপ্তির প্রত্যাশা উৎকণ্ঠায় রূপ নেয়। থাইল্যান্ডে এক শিক্ষক এবং পুলিশের সাবেক এক সদস্যের ক্ষেত্রে ঠিক এমনটাই ঘটেছে। বিজয়ী নির্ধারণে তাই ডিএনএ পরীক্ষার দ্বারস্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। থাইল্যান্ডের কাঞ্চনাবুরি প্রদেশের বাসিন্দা শিক্ষক প্রিচা ক্রাইক্রুয়ান (৫০) অভিযোগ করেছেন, তিনি লটারির পাঁচটি টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু পরে সেগুলো হারিয়ে ফেলেন। গত মাসে ওই লটারির ড্র হয়। এতে ৩ কোটি বাথ (প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার) জিতেছেন তিনি। এই অভিযোগ পেয়ে কর্তৃপক্ষ যাচাই করতে গিয়ে দেখে, ওই একই প্রদেশের বাসিন্দা থাই পুলিশের সাবেক সদস্য চারুন বিমন (৬২) পুরো অর্থ তুলে নিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে না পেরে পুলিশ এখন ডিএনএ পরীক্ষার দ্বারস্থ হয়েছে। তারা জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা টিকিটের ছিন্ন অংশে আঙুলের ছাপটি যাঁর, তিনিই ওই অর্থের প্রকৃত বিজয়ী।

কাঞ্চনাবুরিতে প্রাদেশিক পুলিশের ডেপুটি কমান্ডার কৃষানা সাপদেত বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধেই অভিযোগ আনা হয়নি। আমরা ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছি।’ ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল আগামী মাসে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক বিভাগের এক কর্মকর্তা।

প্রতি মাসে দুবার করে থাইল্যান্ডে লটারির ড্র হয়। সরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে এসব লটারি ছাড়া হয়। দেশটিতে প্রায় সব ধরনের জুয়া নিষিদ্ধ হওয়ায় লটারি ব্যাপক জনপ্রিয়। বিষয়টা এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে বহু মানুষ সেখানে ‘লটারি সংখ্যাতত্ত্ববিদ’ বনে গেছেন। কোন সংখ্যার লটারিতে অর্থযোগ রয়েছে কিংবা কোন তারিখে বা কোন অনুকূল পরিস্থিতিতে লটারি কিনলে জেতার সম্ভাবনা রয়েছে, তার ভবিষ্যদ্বাণী করতে এই লোকেরা রীতিমতো ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন।