Hot!

শাকিব-অপুর সালিশ ১৫ জানুয়ারি

আগামী ১৫ জানুয়ারি ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের তালাকের বিষয়ে সালিশ হবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩-এর অফিসে এ সালিশ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ইতোমধ্যে শাকিব ও অপুকে নোটিশ জারি করেছে ডিএনসিসি। উত্তর সিটির কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের ২২ নভেম্বর শাকিব খান মুসলিম পারিবারিক আইন-১৯৬১-এর ৭ (১) ধারা অনুসারে তালাকের নোটিশটি ডাক যোগে ডিএনসিসির কাছে পাঠান। তাদের সালিশি মামলা নম্বর ৮৬৯/২০১৭। এরপরই তারা নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেছেন। সে অনুযায়ী আগামী ১৫ জানুয়ারি তাদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। এজন্য গত ২৪ ডিসেম্বর শাকিব ও অপুর কাছে সালিশে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ডাক যোগে শাকিব খানের গুলশান-২-এর ১০০ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়ির সি-২ ফ্লাটের ঠিকানায় এবং অপু বিশ্বাসের গুলশান-১-এর নিকেতনের এ ব্লকের ২ নম্বর সড়কের ৬৯ নম্বর বাসার বি-৩ ফ্লাটের ঠিকানায় এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ডিএনসিসি কর্মকর্তারা বলেছেন, শুনানির দিনে যথারীতি তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে। তারা যদি আবার স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকতে রাজি হন তাহলে সংসার করবেন।

প্রথম শুনানিতে কাজ না হলে তাদেরকে আরও দুইবার নোটিশ দিয়ে শুনানি করা হবে। এর মধ্যে তারা নিজেরা মিলমিশ করতে চাইলে ধর্মীয় রীতি মেনে তা করতে পারবেন। আর তা না করলে তিন বার শুনানির পর নিয়মানুযায়ী তালাক কার্যকর হয়ে যাবে বলেও ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে মাসখানেক আগে একজন নগর কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, অপু বিশ্বাসকে যেহেতু তার নিকেতনের বাসার ঠিকানায় তালাকের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাই ওই এলাকায় ডিএনসিসির যিনি জোনাল কর্মকর্তা রয়েছেন তিনিই সালিশি বৈঠকের প্রধান হবেন। জোনাল কর্মকর্তা চাইলে এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকেও বৈঠকে যুক্ত করতে পারবেন।

এছাড়া ডিএনসিসি মেয়রের সহকারী সৈয়দ আবু সালেহ বলেছিলেন, ‘শাকিব -অপুর ঘরে একটি ফুঁটফুঁটে সন্তান রয়েছে। তাছাড়া মানবিক কারণে দেশের জনপ্রিয় এই দুই তারকার সংসার রক্ষার চেষ্টা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আশা করছি- কামিয়াবি হবো।’

উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাসকে তালাক দিতে পারেন স্বামী শাকিব খান- এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে গত ২০ অক্টোবর থেকে। ছেলে জয়কে কাজের মেয়ে শেলীর কাছে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে অপু কলকাতা চিকিৎসা করাতে গেলে ক্ষুব্ধ হন স্বামী শাকিব খান। সেসময় তিনি অপুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। পরে আরও কয়েকটি অভিযোগ এনে গত ২২ নভেম্বর আইনজীবীর মাধ্যমে অপুকে তিনি তালাকের নোটিশ পাঠান।