Hot!

আরিফিন শুভর ফিট থাকার পরামর্শ


অনেক তরুণ নিয়মিত জিমে যান। তবে শরীরের ওজন কমছে না দেখে হতাশ। আবার অনেকে খাবার খাচ্ছেন মেপে কিন্তু ঠিকঠাক ফল পাচ্ছেন না। সাত দিনে তিন কেজি ওজন কমানো বা এক মাসে ১০ কেজি কমানোর উৎসাহে তাই ভাটা পড়ে যায়। এই দলের অনেকেই ভুল ডায়েট বা ব্যায়ামের কারণে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পান না বছরের পর বছর।

তাঁদের উদ্দেশে অভিনেতা আরিফিন শুভ বলেন, ‘একটা মানুষ যখন ভুল ডায়েটে চলবে তখন যতই হাঁটুক বা দৌড়াক কাজ হবে না। আবার শুধু ডায়েট করেও মিলবে না কাঙ্ক্ষিত ওজন। ব্যায়াম আর ডায়েট একটা আরেকটার পরিপূরক। তাই দুই দিকে নজর দিতে হবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে।’ নিজের লক্ষ্য ঠিক করে সেভাবে সামনে চলতে হবে।

শুভ বলেন, যাঁরা মনে করেন জিমে গেলেই যে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে যাবেন, এই ধারণা ভুল। মূলত মানুষের খাদ্যাভ্যাস তাঁর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। আর এটা ৭০ শতাংশ। আমি নিয়মিত সেটাই চেষ্টা করি। যখন কোনো বিশেষ চরিত্রের প্রয়োজনে আমাকে ওজন কমাতে বা বাড়াতে হবে, তখন একধরনের ডায়েট মেনে চলি। আবার সাধারণ সময়ে আমি লো কার্ব ডায়েটে জীবন যাপন করি। এতে গুড ফ্যাটও থাকে। আমি প্রচুর পানি পান করি। ঠিকঠাক বিশ্রাম নেওয়া সুস্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ছেলেদের জন্য সৌন্দর্যও এখন বিশেষভাবে গুরুত্বপুর্ণ। নিজেকে ভালো দেখানোর পাশাপাশি সৌন্দর্য নিজের ভেতর একধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। তাই নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার মতো, নিজে পরিচ্ছন্ন থাকাও জরুরি। অনেকে মনে করে সৌন্দর্যচর্চা হচ্ছে মেয়েদের কাজ। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সৌন্দর্যচর্চা মানে ফরসা হওয়ার ক্রিম মাখা নয়। আপনি দেখতে যেমনই হোন না কেন সেই চেহারাটারও যত্ন দরকার পড়ে। আর তাতেই আপনাকে দেখাবে আরও আত্মবিশ্বাসী।

সৌন্দর্যচর্চায় আরিফিন শুভ নিজে যেটা করেন সেটাও ঝটপট। অভিনেতার কথা হলো, আমাকে সুন্দর করার জন্য মেকআপ আছে। তবে সব সময় তো আর মেকাপ করে থাকি না। নিজের সাধারণ ত্বকটাকেও তাই যত্নে রাখতে হয়। ক্লিনজিং, সানব্লক আর ময়েশ্চারাইজিং এই তিনটি বিষয় নিয়মিত ব্যবহার করলেই ভালো থাকা যায়। রোদে বের হলেই মুখের ত্বক ড্যামেজ হয়ে পড়ে। তাই সানব্লক ব্যাবহার করলে মুখের ত্বক ভালো থাকবে।

বাইরে থেকে ফিরে প্রথমে মুখটা পরিষ্কার পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে। এরপর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে একটু ময়েশ্চারাইজার ব্যাবহার করলে ত্বক কোমল হবে। ব্যস, এতেই নিজের চেহারায় আসবে সতেজতা।

‘যদি কেউ শারীরিকভাবে ফিট থাকে, তাহলে তার কর্মজীবন, পারিবারিক জীবন কিংবা বাইরের জগতে একধরনের ‘পজিটিভ ভাইব’ আসবে বলে মনে করেন এই চলচ্চিত্র অভিনেতা।

একটা সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা খুবই জরুরি। শুধু কঠিন পড়াশোনা বা কঠিন পরিশ্রম করে জীবনে উন্নতি হয় না। এই কঠিন পরিশ্রমের জন্য দরকার পড়ে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। নিজের ঠিকঠাক যত্ন নিলেই কেবল সেটা সম্ভব। আপনার যখন ডায়েট ঠিক থাকবে, দৈনিক একটু সময় রাখবেন শরীরচর্চার জন্য, তখন সেটার প্রভাব আপনার দৈনন্দিন জীবনের ভেতর দিয়েই প্রকাশ পাবে।

তাই এই বিষয়গুলোতে নিজের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন শুভ।